রবি. নভে. 27th, 2022

চাঁপাইনবাবগঞ্জে হত্যা মামলায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম হত্যা মামলায় নয়জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ শওকত আলী পাঁচ বছর আগের এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- শিবগঞ্জ উপজেলার বালিয়াদিঘী গ্রামের আখেরুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, চতুরপুর গ্রামের তোহরুল ইসলাম ওরফে টুটুল, রসিকনগর গ্রামের আব্দুল মালেক ও সিরাজুল ইসলাম ওরফে সেন্টু, সাহাপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলাম, চরভবানীপুর গ্রামের শরিফুল ইসলাম ওরফে শরীফ, পারচৌকা গ্রামের মোহাম্মদ মাসুদ ও ছত্রাজিতপুরের আব্দুস সালাম।

যাবজ্জীবন প্রাপ্তরা হলেন- মহারাজপুরের মাসুদ ওরফে লালচাঁন ও রাজশাহীর বেলপুকুর গ্রামের পারুল বেগম।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া নয়জনকে দুই লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। আর যাবজ্জীবন প্রাপ্তদের দেওয়া হয়েছে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড।

আসামিদের মধ্যে মো. মাসুদ, আব্দুস সালাম ও পারুল বেগম পলাতক রয়েছে; বাকিরা রায় ঘোষণার সময় আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া অভিযোগ প্রামাণিত না হওয়ায় চারজনকে এ মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয় বলে আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আঞ্জুমান আরা জানান।

এরা হলেন-বালিয়াদিঘী গ্রামের সেলিম রেজা, বেনাউল ইসলাম, খাইরুল ইসলাম ও ওবাইদুর রহমান।

মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০১৪ সালের ২৪ অক্টোবর দুপুরে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আখেরুল ইসলামসহ আসামিরা কোষাধ্যক্ষ মনিরুল ইসলামকে তার শিয়ালমারা গ্রামের বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়।

এরপর সন্ধ্যায় শিবগঞ্জ স্টেডিয়ামের কাছে মনিরুলকে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় তার স্ত্রী রহিমা বেগম বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় ১৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়- সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের টাকা ভাগাভাগি ও ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে ধরে মনিরুলকে হত্যা করা হয়।

তদন্ত শেষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মতিউর রহমান সিদ্দিকী ২০১৫ সালের ১৫ জুন অভিযোগপত্র দাখিল করলে এ মামলার বিচার শুরু করে আদালত।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।