বুধ. এপ্রিল 24th, 2024

ডাকঘরের কর্মচারীর ৯ বছরের সশ্রম কারাদন্ড এবং ২৮লাখ টাকা জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর

অজ্ঞাত আয় বর্হিভুত সম্পদ অর্জনের মামলায় গাইবান্ধা ডাকঘরের কর্মচারী হাবিবুর রহমানকে ৯ বছরের সশ্রম কারাদন্ড এবং ২৮লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছে আদালত। সোমবার দুপুরে রংপুরের দুর্নীতি দমন বিশেষ আদালতের বিচারক হায়দার আলী এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষনার সময় আসামী আদালতে উপস্থিত ছিলো পরে আসামীকে পুলিশী পাহারায় আদালতের হাজত খানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

মামলার বিবরনে জানা গেছে আসামী হাবিবুর রহমান গাইবান্ধা ডাক ঘরে পোষ্টাল অপারেটর পদে চাকুরী করা কালিন ভুয়া সঞ্চয় পত্রের একাউন্ট খুলে কোটি টাকা আত্মসাৎ করে। এ ছাড়ায় সে অবৈধ ভাবে তিন তলা বাড়ি , ৪৫ বিঘা জমি ও সন্তানদের নামে ব্যাংকে ফিক্স ডিপোজিট করে বিপুল অর্থ বিত্তের মালিক হয়। এ ঘটনায় দুদক তার বিরুদ্ধে অবৈধ ও জ্ঞাত আয় বর্হিভুত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনে ২০১৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দুদকের সহকারী পরিচালক বীরকান্ত রায় বাদী হয়ে দুদক আইনে মামলা দায়ের করে। তদন্ত শেষে আসামীর বিরুদ্ধে চার্জসীট দাখিল করা হয়।

মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা শেষে আসামী হাবিবুর রহমানকে দোষি সাব্যস্ত করে সোমবার রংপুর স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক হায়দার আলী দুদক আইনের ২০০৪ এর ২৬(০২) ধারায় ১ বছর এবং ২৭(১) ধারায় ৯ বছরের কারাদন্ডাদেশ এবং আত্মসাতকৃত ২৮ লাখ ৯১ হাজার ৩৯৩ টাকা অর্থদন্ড করা হয়। এছাড়াও আসামীকর্তৃক সম পরিমান আত্মসাতকৃত টাকা ৬০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে দেয়ার আদেশ দেন বিচারক অন্যথায় আরো ৬ মাষের কাদন্ডের আদেশ দেন।

এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছেন এ ধরণের রায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে মাইফফলক হিসেবে কাজ করে।

মামলায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা শেষে আসামী হাবিবুর রহমানকে দোষি সাব্যস্ত করে ৯ বছরের কারাদন্ড ও ২৮ লাখ ৯১ হাজার ৩শ ৯১ টাকা জরিমানার আদেশ দেন। জরিমানার অর্থ ৬০ কার্যদিবসে সরকারী কোষাগারে জমা দেবার আদেশ দেয়া হয়।

দুদকের পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী দুদক আইনজিবী হারুনর রশীদ এ্যাডভোকেট জানান আসামী পোষ্টাল অপারেটর হিসেবে চাকুরী করে বিপুল পরিমান অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ায় সাক্ষ্য প্রমানে প্রমানিতদ হওয়ায় আদালত এ রায় প্রদান করেন ।রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তোষ্টি প্রকাশ করছে বলে জানান তিনি।

বিবাদি পক্ষের আইনজীবি আব্দুর রহমান জানান, এই রায়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয় নি আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করবো।