মঙ্গল. জুন 25th, 2024

রংপুরে র‌্যাবের পৃথক দুটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক দ্রব্যসহ ৪জন আটক

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর

রংপুরে ্যাব পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে লালমনির হাটে ১১ ৪৫ বোতল ফেন্সিডিল এবং রংপুরে ৮০ কেজি ৯০০ গ্রাম গাঁজা সহ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে ্যাব১৩।এসময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রাক জীপ (এসইউভি) গাড়ী জব্দ করেছে।

রংপুর র‌্যাব ১৩‘র মাহমুদ বশির আহমেদফ্লাইট লেফটেন্যান্টসিনিয়র সহকারি পরিচালক (মিডিয়া) এক প্রেস বার্তায় জানান,দেশের আইন শৃংঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার নিমিত্তে দেশের বিভিন্ন স্থানে র‌্যাব নিয়মিত রোবাস্ট পেট্রোল এবং চেকপোষ্ট পরিচলনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১৩, তার আওতাধীন রংপুর বিভাগের আট জেলার বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত টহল জোরদার করেছে এবং বিভিন্ন স্থানে চেকপোষ্ট পরিচালনা করছে। এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে টহল পরিচালনা এবং চেকপোষ্ট করাকালীন সময়ে গত ২৪ ঘন্টায় (২০ সেপ্টেম্বর)রাত সাড়ে ৮টায় লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানাধীন বুড়িমারী টু লালমনিরহাটগামী মহাসড়কের উপর চেকপোষ্ট বসিয়ে বাদাম পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ট্রাক তল্লাশি করে বাদামের বস্তার ভেতরে বাদামের সাথে অবৈধ মাদকদ্রব্য ১১‘শ ৪৫ বোতল ফেন্সিডিল সহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সজল হোসেন(২০), পিতা-মোঃ নজরুল ইসলাম, গ্রাম-দক্ষিণ ঘনশ্যাম, থানা-কালিগঞ্জ, জেলা-লালমনিরহাট’কে গ্রেফতার এবং বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর)সকাল সাড়ে ৯টায় রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার রংপুর টু বগুড়াগামী মহাসড়কের উপর চেকপোষ্ট অভিযান চালিয়ে একটি জীপ (এসইউভি) গাড়ী তল্লাশি করে গাড়ীর ব্যাক ডলার ভিতর সাদা পলিথীনে মোড়ানো অবস্থায় অবৈধ মাদকদ্রব্য ৮০ কেজি ৯০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী  মোঃ আশরাফুল হক (৩৮), পিতা-মোঃ নজরুল হক, সাং-গজেরকুটি, থানা-ফুলবাড়ী, জেলা-কুড়িগ্রাম, মোঃ সম্রাট হোসেন (২৮), পিতা-মোঃ রমজান আলী.সাং-দিলালপুর, থানা-পাবনা সদর,শ্রী আশিষ কুমার (২৩), পিতা-শ্রী আশুতোষ মৈত্র, সাং-সমাজ বাজার, থানা-চাটমোহর, উভয় জেলা-পাবনাদের’কে গ্রেপ্তার এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ট্রাক এবং এসইউভি গাড়ী জব্দ করা হয়।র‌্যাবের এই ধরনের রোবাস্ট পেট্রোলিং এবং চেকপোষ্ট কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে যা মাদক এবং নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের অংশ।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী থানায় এবং রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানায় ্যাব বাদী হয়ে পৃথক দুইটি মাদক মামলা রুজু করেছে এবং আসামীদেরকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রীয়া চলমান রয়েছে।