শিক্ষার্থীকে সত্যিকারের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: জবি ভিসি ড. রইছ উদদীন
আবদুল হামিদ রানা, বিশ্বনাথ প্রতিনিধি:
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বিশ্বনাথ ইসলামী ছাত্র সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য অধ্যাপক ড. রইছ উদদীন বলেছেন, দেশের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় নৈতিক শিক্ষার ঘাটতি রয়েছে। ফলে নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেও অনেকেই নিজের মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব ও নৈতিকতার বিষয়টি ভুলে যায়। তাই শিক্ষার মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থীকে সবার আগে সত্যিকারের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, একজন শিক্ষার্থীকে নীতি ও নৈতিকতার দিক থেকে সবার ঊর্ধ্বে থাকতে হবে। ভবিষ্যতে যেন সে দেশ ও সমাজকে শুদ্ধ করার কাজে ভূমিকা রাখতে পারে, সে লক্ষ্যেই শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। সমাজ ও রাষ্ট্রের সব ধরনের অন্যায়-দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার কণ্ঠস্বর যেন জাগ্রত থাকে, আমাদের এমন শিক্ষার্থীই তৈরি করতে হবে।
পাশাপাশি বিশ্বের শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে তাল মিলিয়ে তথ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে সিলেটের বিশ্বনাথে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ‘বিশ্বনাথ ইসলামী ছাত্র সংস্থা’র ২৬তম বৃত্তি প্রদান ও ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন অধ্যাপক ড. রইছ উদদীন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী ‘লার্ণিং উইথ হ্যাপিনেজ’ কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। এর লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবনকে আনন্দময় ও বাস্তবমুখী করা। এ কর্মসূচি সত্যিকার অর্থে বাস্তবায়িত হলে শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি অনন্য বিপ্লব সাধিত হবে।
বিশ্বনাথ ইসলামী ছাত্র সংস্থার সভাপতি আজাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাবেক সভাপতি শফিক আহমদ পিয়ার মেম্বারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ বিন কাশেম ও দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজ আরব খান।
এ ছাড়া অতিথির বক্তব্য দেন বিশ্বনাথ ইসলামী ছাত্র সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ লুৎফুর রহমান, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মাওলানা আহমদ আলী হেলালী, মাওলানা লুৎফুর রহমান ও মাওলানা আবুল বশর মোহাম্মদ ফারুক।
অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক, বিশ্বনাথ ইসলামী ছাত্র সংস্থার নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
