সমান্তরাল দৈন্যদশায় চরম ঝুঁকি ও দুর্ভোগে জামালচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্ধীরা
১৯৩৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী ৮ নং জামালচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবন আর সংলগ্ন চলাচলের রাস্তার যেন একই দৈন্যদশা। বিদ্যালয় ভবনের দেয়াল থেকে মাত্র চার ফুট দূরত্বে একটি বড়ো খাদের মতো গর্তের সৃষ্টি হলেও, দীর্ঘ এক মাসেও তা মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। জরাজীর্ণ ভবন আর ভাঙা রাস্তার এই সমান্তরাল দৈন্যদশায় চরম ঝুঁকি ও দুর্ভোগের মুখে পড়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় পথচারীরা।
শহীদুল ইসলাম শরীফ, স্টাফ রিপোর্টার
১৯৩৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী দোহার উপজেলার ৮ নং জামালচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবন আর সংলগ্ন চলাচলের রাস্তার যেন একই দৈন্যদশা। বিদ্যালয় ভবনের দেয়াল থেকে মাত্র চার ফুট দূরত্বে একটি বড়ো খাদের মতো গর্তের সৃষ্টি হলেও, দীর্ঘ এক মাসেও তা মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। জরাজীর্ণ ভবন আর ভাঙা রাস্তার এই সমান্তরাল দৈন্যদশায় চরম ঝুঁকি ও দুর্ভোগের মুখে পড়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় পথচারীরা। একদিকে জরাজীর্ন ভবন অন্য দিকে রাস্তার বেহাল দশা। বলা যায় একের ভেতর বহু সমস্যা। একদিকে বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ ভবন, অন্যদিকে সংলগ্ন চলাচলের রাস্তার বেহাল দশা-যেন ‘একই সুতোয় গাঁথা’ দৈন্যদশা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের আগে সড়কটি দিয়ে পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণ করা হয়। ওই সময় সড়কটি ছিল সম্পূর্ণ পিচঢালা। তবে দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সড়কটি আর পুনর্নির্মাণ বা সংস্কার করা হয়নি। দীর্ঘদিন সংস্কার না থাকায় বর্তমানে সড়কটির প্রায় ৬০ শতাংশ পিচ উঠে গিয়ে বড়ো বড়ো খাদের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই তীব্র জলাবদ্ধতা তৈরি হয়, যা শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে নিয়মিত যাতায়াত ও সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।
আজ ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সকালে , দুর্ভোগ ও নিরাপত্তার ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নাজনীন নাহার শম্পা জানান, বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে এবং কমিটির অন্য সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হবে।
কমিটির অন্য সদস্য পলাশ দেওয়ান বলেন, “বিদ্যালয়ের গর্তের অংশ থেকে প্রধান সড়ক পর্যন্ত রাস্তাটি মেরামতের জন্য প্রাথমিক উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।”
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রওশন আরা জানান, জরাজীর্ণ ভবন ও বেহাল রাস্তার বিষয়ে নবনির্বাচিত ম্যানেজিং কমিটির সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. নায়েব আলী জানান, “বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির পক্ষ থেকে লিখিত আবেদন করা হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত রাস্তাটি মেরামতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

