রোমাঞ্চকর ফাইনালে মদনখালী ফ্রেন্ডস ক্লাব চ্যাম্পিয়ন
ঢাকার নবাবগঞ্জে উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে ‘চুড়াইন মুন্সীনগর প্রগতিসংঘ’ আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই ফাইনালে রোমান স্পোর্টিং ক্লাব, শংকরখালীকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে ফ্রেন্ডস ক্লাব, মদনখালী।
শহীদুল ইসলাম শরীফ, স্টাফ রিপোর্টার
ঢাকার নবাবগঞ্জে উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে ‘চুড়াইন মুন্সীনগর প্রগতিসংঘ’ আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই ফাইনালে রোমান স্পোর্টিং ক্লাব, শংকরখালীকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে ফ্রেন্ডস ক্লাব, মদনখালী।
আজ শুক্রবার ১৪ আগস্ট, ২০২৬, বিকেলে নবাবগঞ্জের মুন্সিনগর আকারবাগ মাঠে টুর্নামেন্টের এই গ্র্যান্ড ফাইনালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী ও বিজিত দলের মাঝে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।
এর আগে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন ঢাকা-১ (নবাবগঞ্জ-দোহার) আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, “যুবসমাজকে মাদক, অপরাধ ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। নিয়মিত ক্রীড়া চর্চা তরুণদের স্বাস্থ্যকর জীবনধারা ও শৃঙ্খলা শেখায়। এই ধরনের আয়োজন গ্রামীণ জনপদে উৎসবের আমেজ তৈরির পাশাপাশি নতুন খেলোয়াড় তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।”
শুভ উদ্বোধকের বক্তব্যে সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক বলেন, “নবাবগঞ্জের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও বেগবান ও সমৃদ্ধ করতে আমরা সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখব। তরুণদের খেলাধুলার সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে গ্রামীণ মাঠগুলোর উন্নয়ন করা হবে।”
ফাইনালে মাঠে উপস্থিত হাজারো ফুটবলপ্রেমী দর্শকের সামনে দুটি শক্তিশালী দল মুখোমুখি হয়ে অত্যন্ত উপভোগ্য ও আক্রমণাত্মক ফুটবল নৈপুণ্য প্রদর্শন করে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি মোঃ আমজাদ হোসেন, চুড়াইন মুন্সীনগর প্রগতিসংঘের সর্বস্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। ঐতিহ্যবাহী এই ফুটবল ফাইনাল দেখতে পুরো মুন্সিনগর আকারবাগ মাঠ ক্রীড়ামোদী দর্শকদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।

