আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘বি কোম্পানি’র সতর্কবার্তা
নগরজুড়ে ‘বি’ কম্পানির / (নবাব) এর নাম ব্যবহার করে চাঁদা দাবির অভিযোগ, প্রতারকদের টাকা না দেওয়ার আহ্বান
মো: আল-মাহফুজ শাওন,খুলনা৷
খুলনা নগরজুড়ে আবারও ‘বি কম্পানি (নবাব) এর নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় ‘বি কোম্পানি’ নামে পরিচয় দিয়ে কোনো ব্যক্তি, ব্যবসায়ী বা প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি করা হলে তা না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ‘নবাব’ বা ‘বি কোম্পানি’র নাম ব্যবহার করে কোনো কোম্পানি, ব্যবসায়ী, প্রতিষ্ঠান কিংবা সাধারণ মানুষের কাছে টাকা দাবি করা হলে কাউকে যেন কোনো টাকা দেওয়া না হয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে প্রকৃত ‘বি কোম্পানি’র কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
পোস্টটিতে আরও বলা হয়, কেউ যদি ওই নাম ব্যবহার করে চাঁদা দাবি করেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। প্রয়োজনে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
সতর্কবার্তায় কয়েকটি মোবাইল নম্বরকে ‘সন্দেহভাজন নম্বর’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন, মিসড কল কিংবা যোগাযোগের মাধ্যমে টাকা দাবি করা হলে বিষয়টি যাচাই না করে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে আরও বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে কেউ চাঁদা চাইলে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ যেন আতঙ্কিত না হন এবং প্রতারকদের কোনোভাবেই অর্থ না দেন। এ ধরনের ঘটনার তথ্য সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
এদিকে, নগরীতে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে চাঁদা দাবি বা প্রতারণার অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে অভিযোগগুলো যাচাই করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওই পোস্টে যেসব মোবাইল নম্বর ও ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
সচেতন মহল মনে করছে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদা দাবি করা হলে সরাসরি টাকা না দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করাই নিরাপদ। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো অভিযোগ যাচাই ছাড়া শেয়ার বা প্রচার না করারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
