মানুষের কল্যাণে নিবেদিত তরুণ সমাজসেবক জুয়েল হোসেন সাদ্দাম

0
IMG-20260806-WA0017

মো: আল-মাহফুজ শাওন

খুলনা প্রতিনিধি: রাজনীতির মূল লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা। সেই আদর্শকে ধারণ করে নীরবে মানবসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন খুলনার তরুণ যুবনেতা ও ব্যবসায়ী জুয়েল হোসেন সাদ্দাম। ব্যক্তিগত ও পেশাগত ব্যস্ততার মাঝেও অসহায়, বিপদগ্রস্ত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি এলাকাবাসীর আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রচারবিমুখ এই তরুণ সমাজসেবক নিজের ভালো কাজের প্রচারণার চেয়ে মানুষের উপকার করাকেই বেশি গুরুত্ব দেন। এলাকার কোনো ব্যক্তি অসুস্থ হলে, কোনো পরিবার আর্থিক বা সামাজিক সংকটে পড়লে কিংবা জরুরি প্রয়োজনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন তিনি। নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চ দিয়ে সমস্যার সমাধানে কাজ করার চেষ্টা করেন।

পেশায় ব্যবসায়ী হলেও মানবসেবাকেই জীবনের অন্যতম ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেছেন জুয়েল হোসেন সাদ্দাম। সততা, আন্তরিকতা ও নৈতিকতার সঙ্গে সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন। ধর্ম, বর্ণ কিংবা রাজনৈতিক মতপার্থক্য না দেখে সবার পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।

এলাকাবাসীর মতে, শিশু থেকে প্রবীণ—সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তিনি একজন বিশ্বস্ত ও মানবিক ব্যক্তিত্ব। তাঁর বিনয়ী আচরণ, মিষ্টভাষিতা এবং মানুষের প্রতি আন্তরিক দৃষ্টিভঙ্গি তাঁকে আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে। অনেকেই তাঁকে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের একজন অনুপ্রেরণাদায়ী তরুণ হিসেবে মূল্যায়ন করেন।

স্থানীয়দের দাবি, মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার কারণেই দিন দিন তাঁর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জুয়েল হোসেন সাদ্দাম বিশ্বাস করেন, মানুষের দোয়া ও ভালোবাসাই একজন মানুষের সবচেয়ে বড় অর্জন। সেই বিশ্বাস থেকেই তিনি মানবসেবাকে ইবাদতের অংশ হিসেবে গ্রহণ করে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।

নিজের স্বার্থের চেয়ে মানুষের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে মানবিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখা এই তরুণ সমাজসেবকের উদ্যোগ সমাজের অন্যদেরও জনকল্যাণমূলক কাজে উদ্বুদ্ধ করবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

নিজের স্বার্থের আগে মানুষের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে জুয়েল হোসেন সাদ্দাম নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। তাঁর এই মানবিক উদ্যোগ সমাজের অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *