ঈদে মিলাদুন্নবী: বিভেদ ছেড়ে মানবিক রাষ্ট্র গড়ার বার্তা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর
ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষকালব্যাপী সিরাতুন্নবীর অনুষ্ঠানমালা সন্ধ্যায় উদ্বোধন হয়েছে।
ঈদে মিলাদুন্নবীর পবিত্রতা ও মহিমাকে সামনে বিভেদ ও অন্যায় পরিহার করে শান্তি, সম্প্রীতি, সাম্য এবং মানবিকতার ভিত্তিতে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তুলতে অঙ্গীকারের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, “বর্তমান যুদ্ধ, সংঘাত, হিংসা, বৈষম্য ও অসহিষ্ণুতায় বিপর্যস্ত বিশ্বে মহানবী (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা, ভালোবাসা ও মানবিকতার আদর্শ ততধিক প্রাসঙ্গিক।
“ঈদে মিলাদুন্নবীর এই পবিত্র ও মহিমান্বিত সময়ে আসুন, আমরা তার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় পরিহার করি এবং শান্তি, সম্প্রীতি, সাম্য ও মানবিকতার ভিত্তিতে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করি।”
পৃথক অপর বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একইরকম অঙ্গীকার করেন।
তিনি বলেন, “মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা শুধু মুসলমানদের ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক জীবনের জন্য নয়, মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশের ক্ষেত্রেও গভীর তাৎপর্য বহন করে।
“তার আদর্শকে আমাদের ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন ও সামাজিক আচরণে ধারণ করতে হবে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা, সহনশীলতা ও ন্যায়বোধকে শক্তিশালী করার মধ্য দিয়েই আমরা একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি।
“মহান আল্লাহতায়ালা আমাদের প্রিয় নবি হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুমহান জীবনাদর্শ ও সুন্নাহ অনুসরণ করার তাওফিক দান করুন। তার শিক্ষা ও আদর্শ আমাদের ব্যক্তি ও সমাজজীবনে সত্য, ন্যায়, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার চেতনাকে আরও সুদৃঢ় করুক। বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বে শান্তি, ন্যায়, সাম্য, সমৃদ্ধি ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠিত হোক-এই পবিত্র দিনে এটাই আমার আন্তরিক প্রার্থনা।”
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম বিশ্বকে ঈদে মিলাদুন্নবীর শুভেচ্ছা জানান।
বাংলাদেশে বুধবার ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপিত হবে। ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী মঙ্গলবার সন্ধ্যার পরই এর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। দিনটি উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষকালব্যাপী সিরাতুন্নবীর অনুষ্ঠানমালা দিয়েছে।
